করোনায় কমেছে সোনার দাম

এক মাসের ব্যবধানে দুই দফা দাম বৃদ্ধির পর অবশেষে সোনার দাম কমেছে। আজ ১৮ মার্চ, বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। সোনার নতুন দর আগামীকাল বৃহস্পতিবার কার্যকর হবে।

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বাজুস জানিয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর তথ্য অনুসারে বৃহস্পতিবার থেকে ভরিপ্রতি সোনার দাম কমবে ১ হাজার ১৬৬ টাকা। অর্থাৎ প্রতি গ্রাম সোনার দাম কমছে ১০০ টাকা। কাল থেকে ২২ ক্যারাটেরে এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হবে ৬০ হাজার ৩৬১। বর্তমানে একই পরিমাণ সোনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ হয় ৬১ হাজার ৫২৭ টাকা।

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে সবচেয়ে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫৮ হাজার ২৮ এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫৩ হাজার ১২ টাকায় বিক্রি হবে। এই তিন মানের সোনার দামই ভরিপ্রতি ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতিতে সোনার দাম ৪০ হাজার ২৪০ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে আগের দামেই (৯৩৩ টাকা)।

জানা গেছে, মানভেদে দেশে চার ধরনের স্বর্ণ বিক্রি হয়। এর মধ্যে ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ স্বর্ণ থাকে। আর পুরনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি করা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ। এ ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ স্বর্ণের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা নেই।

এ দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে (দুবাই) মঙ্গলবার প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ছিল ৪৬ দশমিক ২২ ডলার। এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় প্রতিভরির দাম পড়ে (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসাবে) ৪৫ হাজার ৮২৪ টাকা। ফলে দুবাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশি বাজারে ভরিতে পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

সর্বশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ভরিপ্রতি সোনার দাম বাড়ায় ১ হাজার ১৬৬ টাকা। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর-নভেম্বর মাসেও সোনার দাম বাড়ানো হয়। এমনকি জুলাই ও আগস্ট মাসে কয়েক দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়। প্রতিবারই

You might also like